
বাগেরহাট-৪ মোরেলগঞ্জ শরণখোলা আসন থেকে নিজের ও কর্মীদের জীবনের শঙ্কা আছে দাবি করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন হরিণ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী খায়রুজ্জামান শিপন।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় বাগেরহাট প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে অনুসারী ও কর্মীদের নিয়ে এ ঘোষণা দেন তিনি। গত রবিবার দুপুরে একটি ভারতীয় মোবাইল নাম্বার থেকে মুঠোফোনে নিজেকে প্রাণ নাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ এনে মোরেলগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি করে ছিলেন এই স্বতন্ত্র প্রার্থী।
কাজী খায়রুজ্জামান শিপন বলেন, আমার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব জব্বার মোল্যাকেও হুমকি দেওয়া হয়েছে। সার্বিক বিষয়ে এ নির্বাচনে থাকলে আমার ও আমার নেতাকর্মীদের জীবনের শঙ্কা রয়েছে। তাই আমি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালাম।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য হুমকি-ধামকি অব্যাহত রাখা হচ্ছে। এমনকি জামায়াত প্রার্থীর অফিস পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই অবস্থায় মনে করি মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলায় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়নি।
খায়রুজ্জামান শিপন বলেন, প্রশাসনের লোকজন আমাদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করলেও পারেনি। এই অবস্থায় আমরা মনে করি প্রত্যন্ত এলাকা মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা উপজেলায় সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। তাই আমরা নির্বাচনে প্রার্থিতার পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছি।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কাজি খায়রুজ্জামান শিপন বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ছিলেন। আসন্ন নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে নির্বাচন করার অপরাধে ২১ জানুয়ারি কাজী খায়রুজ্জামান শিপনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।
বাগেরহাট-৪ মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছাড়াও বিএনপির প্রার্থী সোমনাথ দে, জামায়াতের অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ওমর ফাকুর নূরী, জাতীয় পার্টির সাজন কুমার মিস্ত্রি ও জাতীয় সমাজ তান্ত্রিক দল (জেএসডি) আব্দুল লতিফ খান নির্বাচন করছেন।









































