
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল–আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের আংশিক) আসনে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা জোরদারে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য, বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা এবং সাংগঠনিক অনিয়মের অভিযোগে সরাইল উপজেলায় বিএনপির ছয় নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সরাইল উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক স্বাক্ষরিত প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা এবং কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই এই সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের সিদ্ধান্তের আলোকে বহিষ্কৃতদের বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত আজ থেকেই কার্যকর হবে এবং সংশ্লিষ্টরা দলীয় কোনো কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না।
বহিষ্কৃত নেতাকর্মীরা হলেন, শাহবাজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুফতি আমান মিয়া,
দপ্তর সম্পাদক জুয়েল আহমেদ, প্রচার সম্পাদক জুলহাস খান, যুব বিষয়ক সম্পাদক নূর উদ্দিন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মনির হোসেন ও সদস্য আব্দুল মালেক মেম্বার।
উল্লেখ্য, এই আসনে বিএনপির শরিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সহসভাপতি মাওলানা জোনায়েদ আল হাবীবকে বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তিনি খেজুর গাছ প্রতীকে লড়ছেন। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে সাবেক বিএনপির সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা এবং কেন্দ্রীয় যুব দলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের মহাসচিব এস এন তরুণ দে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ও সরাইল উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নুরুজ্জামান লস্কর তপু জানান,
“বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অমান্য করে বিএনপির বহিষ্কৃত নেত্রীর পক্ষে নির্বাচনী কাজ করায় তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে।”
সূত্র : জনকণ্ঠ









































