
হত্যা মামলার আসামি হিসেবে পাঁচ দিনের রিমান্ডে রয়েছেন এক সময়ের জনপ্রিয় ইউটিউবার তৌহিদ আফ্রিদি। তাকে গ্রেপ্তারের পর থেকেই নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য এবং অভিযোগ বেরিয়ে আসছে। বর্তমানে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
রিমান্ডে যা উঠে আসছে
* জুলাই আন্দোলন বিরোধী কর্মকাণ্ড: সিআইডি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জুলাই মাসে স্বৈরাচারী সরকারের পক্ষে অবস্থান নিয়ে তৌহিদ আফ্রিদি আন্দোলন বন্ধ করার জন্য সেলিব্রিটি ও অন্যান্য কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন। যারা তার সঙ্গে একমত হননি, তাদের হুমকি-ধমকিও দিয়েছেন তিনি।
* প্রতারণা ও আর্থিক অপরাধ: তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তারের পর তার বিরুদ্ধে প্রতারণা, নির্যাতন, জিম্মি করা ও আর্থিক কেলেঙ্কারির মতো অভিযোগগুলো সামনে এসেছে। অভিযোগ আছে যে, আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তিনি বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেছেন এবং এর বেশিরভাগই বিদেশে পাচার করেছেন।
।
* বাবারও কারাগারে: গত ১৭ আগস্ট একই হত্যা মামলায় তৌহিদ আফ্রিদির বাবা এবং মাই টিভির চেয়ারম্যান নাসিরউদ্দিন সাথীকেও গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে তিনিও কারাগারে আছেন।
সিআইডির মুখপাত্র জসিম উদ্দিন খান জানিয়েছেন, জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, তবে তদন্তের স্বার্থে তা এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না।
উল্লেখ্য, গত ২৪ আগস্ট বরিশাল থেকে তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ২৫ আগস্ট তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে নিহত আসাদুল হক বাবু হত্যা মামলা রয়েছে।