
রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীতে দশম শ্রেণির স্কুলছাত্রী ফাতেমা আক্তার লিলিকে (১৬) গলাকেটে হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন হোটেল কর্মী মিলন মল্লিক প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। র্যাব-৩ সূত্রে জানা যায়, মিলন লিলিকে বিভিন্ন সময় প্রেম প্রস্তাব দিয়েছিল।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মিলন জানিয়েছে, লিলির সঙ্গে তার সু-সম্পর্ক ছিল এবং সে মাঝে মাঝে লিলির কাছে প্রেমের বহিঃপ্রকাশ করত। লিলির পরিবার বাসা থেকে গ্রামে গেলে মিলন লিলিকে সঙ্গে নিয়ে পালানোর পরিকল্পনা করেছিল। গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর ২টা ২৫ মিনিটের দিকে লিলিকে একা পেয়ে মিলন তাকে পালানোর প্রস্তাব দেয়। তবে লিলি এ প্রস্তাবে রাজি হয়নি এবং তাকে প্রত্যাখ্যান করে। এরপর মিলন এ হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
লিলি হবিগঞ্জের লাখাই থানার বামৈন গ্রামের সজীব মিয়ার মেয়ে। তার পরিবারে বাবা-মা ও বড় বোন থাকলেও হত্যার সময় কেউ বাসায় ছিলেন না। বিকেলে জিম থেকে ফিরে তার বোন বাসায় গিয়ে লিলিকে গলাকাটা অবস্থায় পায় এবং পুলিশকে খবর দেয়।
র্যাব জানায়, সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে বাগেরহাট সদর থানা এলাকায় র্যাব-৩ ও র্যাব-৬ যৌথ অভিযানে মিলনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে র্যাব আরও জানিয়েছে, বিস্তর জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তের মাধ্যমে হত্যার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করা হবে। নিহত স্কুলছাত্রীর বাবা সজীব মিয়া দক্ষিণ বনশ্রীয়ে একটি হোটেল পরিচালনা করেন, যেখানে মিলন কাজ করতেন।
খিলগাঁও থানায় লিলির পরিবার হত্যা মামলায় মিলনকে প্রধান আসামি হিসেবে উল্লেখ করেছে। পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের সময় মিলন খাবারের জন্য বাসায় ঢুকেছিল এবং পরবর্তীতে হত্যার ঘটনায় সরাসরি যুক্ত হয়।







































