
মিঃ Oc Kanaighat আপনার থানায় পৃথিবীর আশ্চর্য ঘটনা ঘটেছে। জানেন সেটা কি? আর জানবেন কি করে? আমিই বলি, চুরি করার জন্য দেশের দীর্ঘতম নদীতে বাঁধ দিয়েছে। ওটা সুরমানদীর লোভার মূখের কয়েক মিটার উজানে।
সে বাঁধ ব্যবহার করে লোভাছড়া পাথর কোয়ারীর পাথর প্রতি রাত ৯টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত পাথর চুরি করা হয় ট্রাক্টর ট্রলি দিয়ে। সেখানে থানা পুলিশ ও প্রশাসনের জন্য প্রতি ট্রিপ থেকে ১৫০০/- টাকা আর বাঁধ ব্যবহারের জন্য ১০০০/- টাকা টোল আদায় করা হয়। এ থেকে আপনাকে এরই মাঝে এডভান্স বাবদ OC Kanaighatকে ৪ লক্ষ ও এএসপি সার্কেলকে ৩ লক্ষ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।
এর পর গত ১ সপ্তাহ ধরে দিনে লোভারমূখে পুলিশ পাহারা দেন। সন্ধ্যার পর থেকে সে পাহারা উড্র হয়। সকাল ৮ টার পুনরায় পাহারা বসানো হয়। এরই মাঝে এ ঘটনা এককান দুই কান করে uno kanaighat এর কানে গেলে তিনি পুলিশের সহায়তা ছাড়া তার অফিসের জন্য বরাদ্ধ আনসার সদস্যদের নিয়ে দুদিন অভিযান করে চুরির পাথর বোঝাই ৪টি ট্রাক্টর ট্রলি আটক করেন।
কিন্তু কানাইঘাট থানা পুলিশ এ পথে যায় নি। যে চারজন এই পাথর চুরির রুট তৈরীর মহাজন তারা কানাইঘাট থানা পুলিশকে সন্তুষ্ট করতে পেরেছে। বিষয়টা অফিসিয়ালি SP Sylhet কে জানানো উচিত। কারণ নদীর উপর বাঁধ নির্মান করে চুরির রাস্তা তৈরীর গৌরব আজও পৃথিবীর কোন জাতি অর্জন করতে পারেনি। ওটা DC Sylhet কে অবগত করলে সিলেটে ঐতিহ্যের সাথে আরেকটি পালক যুক্ত হবে। কানাইঘাটবাসীর আবিষ্কার এ জাতির অহংকার।।









































