প্রচ্ছদ জাতীয় নিশ্চিত জয়ের পথে বিএনপির যে হেভিওয়েট প্রার্থী

নিশ্চিত জয়ের পথে বিএনপির যে হেভিওয়েট প্রার্থী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। বিপরীতে রয়েছেন জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুক এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী ছরওয়ার আলম কুতুবী। তারা দুজনই এ আসনে নতুন মুখ। স্থানীয় ভোটারদের মতে, অন্য দুই প্রার্থীর তুলনায় অনেকটা নিশ্চিত বিজয়ের পথেই আছেন সালাহউদ্দিন আহমদ।

সালাহউদ্দিন আহমদ এ আসনে তিনবারের নির্বাচিত এমপি। তিনি বিএনপিসহ চারদলীয় জোট সরকারের যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরামের অন্যতম প্রভাবশালী সদস্য। বিএনপির শীর্ষ নেতা হওয়ায় সালাহউদ্দিন আহমদ হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত। চকরিয়ার পেকুয়ায় সালাহউদ্দিন আহমদের তুমুল জনপ্রিয়তাও রয়েছে।

নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে ভোটারদের মাঝে নির্বাচনের আমেজ ততই বাড়ছে। পাড়া-মহল্লার দোকানে জমে উঠেছে নির্বাচনের গল্প। গত কয়েক দশকের নির্বাচন আমেজপূর্ণ না হওয়ায় মানুষ এবারের নির্বাচন দেখছে ভিন্ন রূপে। সাদা কালো পোস্টারের দেখা না মিললেও নির্বাচনী প্রচারে সরগরম অনলাইন যোগাযোগ মাধ্যম। ভোটারদের মনোযোগ আকর্ষণে গান, আকর্ষণীয় ভিডিও কনটেন্ট প্রচার করে প্রার্থীরা ভোট প্রার্থনা করছেন। প্রার্থীরা নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ, পথসভা থেকে শুরু করে ব্যতিক্রমী আয়োজন করে দিচ্ছেন নানান প্রতিশ্রুতি। প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারে গণসংযোগ, সভা সমাবেশে ব্যস্ত সময় পার করছেন। উন্নয়ন আর ভোটারদের অধিকার রক্ষা ও দাবি পূরণসহ নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন প্রার্থীরা।

পেকুয়া সদর ইউনিয়নের আমিনুল হক বলেন, ‘আমরা গত কয়েকটি নির্বাচনে ভোট দিতে পারিনি। এবারের নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে ভোট প্রয়োগ করার একটি সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের আশা পেকুয়া পৌরসভা হবে, আদালত ভবন হবে এবং চকরিয়া পেকুয়াকে উপকূলীয় জেলা হিসেবে রূপান্তর করা হবে।’

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ধানের শীষে রায় দিয়ে বিএনপিকে সরকারে পাঠাতে হবে। চকরিয়া-পেকুয়াকে নিয়ে আমার ব্যাপক উন্নয়ন পরিকল্পনা রয়েছে। গত দেড় দশক বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতার বাইরে থাকায় চকরিয়া-পেকুয়ার মানুষ উন্নয়নবঞ্চিত হয়েছিল। আগামীতে বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে এদেশে প্রচুর উন্নয়ন হবে।’

জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুক বলেন, ‘ইনসাফভিত্তিক দেশ গড়ার লক্ষ্যে জামায়াত ইসলাম সবসময় শান্তির বার্তা বহন করে চলছে। দুর্নীতি ও চাঁদাবাজমুক্ত সমাজ ব্যবস্থা ও উন্নয়নের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে মানুষ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবে।’

ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী ছরওয়ার আলম কুতুবী বলেন, ‘ইসলামী শরিয়াহ আইন বাস্তবায়নের ডাক দিয়েছেন পীর চরমোনাই। কোনো ভ্রান্ত আকিদায় নয়, নেতা নয় নীতি চাই—এ স্লোগানে মানুষ হাতপাখায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবে।’
সূত্র: কালবেলা