প্রচ্ছদ রাজনীতি ধর্ম উপদেষ্টার সাথে হজ যাত্রাতে স্ত্রী ও বোন সম্পুর্ন নিজ খরছে

ধর্ম উপদেষ্টার সাথে হজ যাত্রাতে স্ত্রী ও বোন সম্পুর্ন নিজ খরছে

Oplus_131072

আমার স্ত্রী মাননীয় ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মহোদয়ের ছোট বোন। সে হজ্জে গমন করে সম্পূর্ণ নিজস্ব খরচে। আমি তার সাথে যেতে পারছি না বলে উপদেষ্টা মহোদয়কে মাহরাম হবার কারণে তাঁকে সাথে নেওয়ার জন্য একান্ত অনুরোধ করি। উপদেষ্টা মহোদয়ের অপর বোনও একই কারণে তাঁর সাথে সম্পূর্ণ নিজস্ব খরচে হজ্জে যান। তাঁর অপর আরেক বোনও যাওয়ার কথা ছিল; কিন্তু টাকা যোগাড় করতে না পারায় যেতে পারেননি।

উল্লেখ্য, সৌদি আরবে আমার স্ত্রীর আরেক বড়ো ভাই ড. সাদিক হোসেন রিয়াদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে কর্মরত আছেন। এ ছাড়া তাদের আরও অনেক ঘনিষ্ঠ আত্মীয়-স্বজন সেখানে আছেন। তারা সর্বক্ষণ তাদের সেবায় ও দেখাশোনায় নিয়োজিত রয়েছেন।

আমার স্ত্রী ও আপা তাঁরা যদিও মাননীয় ধর্ম উপদেষ্টার সাথে গমন করেছেন; কিন্তু তারা দুজনেই ফিরবেন তাঁর ফেরার আরও প্রায় দশ/বারো দিন পরে, ইন্ শাআল্লাহ। তারা যদি উপদেষ্টা মহোদয়ের একান্ত সফরসঙ্গী হতো, তাহলে তো তারা ফিরতোও তাঁর সাথে।

কালের কণ্ঠ পত্রিকা যেভাবে ফটোকার্ড প্রকাশ করেছে তাতে যে কারো ধারণা হতে পারে, আমার স্ত্রী, আপা ও ভাবি- সকলেই বুঝি সরকারি টাকায় এবারে হজ্জে গেছেন। অথচ নিউজের বিবরণে এ কথা বলা হয়েছে, তারা নিজস্ব খরচে হজ্জে গেছেন। পত্রিকাটির এভাবে ফটোকার্ড প্রকাশ করা ‍উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মনে হয়!

এটা ঠিক যে, তারা উপদেষ্টা মহোদয়ের সাথে যে কয়দিন থাকবেন, এ সুবাদে হয়তো তারা বাড়তি কিছু আদর-আপ্যায়ন পেতে পারে; কিন্তু এর পাশাপাশি তার সাথে যাবার কারণে তাদের খরচের মাত্রাও অনেক বেড়ে গেছে।

যেমন- মক্কা থেকে মদীনা, মক্কা থেকে রিয়াদ সফর- যা উপদেষ্টা মহোদয় সাথে না থাকলে তারা হয়তো সাধারণ গাড়িতে অল্প খরচে যাতায়াত করতে পারতো, এখন তাদেরকেও বুলেটট্রেন ও বিমানযোগে উচ্চ ভাড়ায় যাতায়াত করতে হচ্ছে। এসব খরচ তাদের নিজেদের বহন করতে হচ্ছে।

ড. আহমদ আলী
প্রফেসর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।