
ডিবি পুলিশের পরিচয়ে মহিষবোঝাই পিকআপ ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাসহ ছয়জনকে আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয়দের গণপিটুনিতে গুরুতর আহত দুই ছিনতাইকারী বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনাটি সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
পুলিশ জানায়, রোববার ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামির ইউনিয়নের তেরমাইল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা টিটন কুমার মল্লিক। তিনি সিলেট সিটি করপোরেশনের ২০ নম্বর ওয়ার্ডের টিলাগড় আবাসিক এলাকার শৈলেন কুমার মল্লিকের ছেলে।
আটক অন্যরা হলেন- খাদিমপাড়া বহর এলাকার কামরুল ইসলাম, দলাইপাড়া এলাকার মিন্টু মাহমুদ, বহর আবাসিক এলাকার তারেখ আহমদ সুরুক, খাদিমপাড়া এলাকার সৈয়দ রাসেল মাহমুদ এবং জৈন্তাপুর থানার চিকনাগুল এলাকার আব্দুর রশিদ।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক দিয়ে একটি মহিষবোঝাই পিকআপ যাচ্ছিল। এ সময় পেছন থেকে একটি মাইক্রোবাস এসে পিকআপটির গতিরোধ করে। মাইক্রোবাসে থাকা লোকজন নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দেয়। তারা পিকআপের চালককে মারধর করে মহিষ নামিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায়।
ঘটনাটি দেখে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে ছিনতাইকারীদের কয়েকজন পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা দুজনকে ধরে গণপিটুনি দেন। পরে তারা মহিষ লুটের চেষ্টার কথা স্বীকার করে। আটক অবস্থায় টিটন কুমার মল্লিক নিজেকে সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বলে পরিচয় দেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে টিটন কুমার মল্লিক ও আব্দুর রশিদকে আটক করে। মহিষবোঝাই পিকআপ ও ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটি জব্দ করে থানায় নেওয়া হয়। পরে আটককৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও চারজনকে আটক করে।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা জানান, তারা দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন রশিদ চত্বর এলাকা থেকে মাইক্রোবাস নিয়ে মহিষবোঝাই পিকআপটির পিছু নেয়। পূর্বপরিকল্পিতভাবেই ছিনতাইয়ের চেষ্টা চালানো হয়।
ওসমানীনগর থানার ওসি মুরশেদুল আলম ভূঁইয়া জানান, আটককৃতরা চুরি ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত।












































