প্রচ্ছদ জাতীয় জাতির উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টার জরুরি বার্তা!

জাতির উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টার জরুরি বার্তা!

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদের ওপর গণভোট উপলক্ষে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ভাষণে তিনি দেশের জনগণকে কোনো প্রকার ভয় বা সংকীর্ণতা ছাড়াই সাহসের সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করার উদাত্ত আহ্বান জানান।

প্রধান উপদেষ্টা তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, ১২ ফেব্রুয়ারির এই নির্বাচন এবং গণভোট বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণে এক ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করবে। এটি কেবল জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের প্রক্রিয়া নয়, বরং রাষ্ট্র সংস্কার এবং জন-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানোর একটি বড় সুযোগ।

প্রধান উপদেষ্টার ভাষণের মূল দিক:

নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু পরিবেশ: নির্বাচনকে অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ভোটাররা যেন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে তাদের রায় দিতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

প্রবাসীদের ভোটাধিকার: দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রবাসী বাংলাদেশিরা ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন, যা জাতীয় নির্বাচনে তাদের অংশগ্রহণকে আরও অর্থবহ করে তুলবে।

গুজব প্রতিরোধ: সাধারণ মানুষকে কোনো ধরনের অপপ্রচার বা গুজবে কান না দেওয়ার অনুরোধ করেছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অন্য কোনো মাধ্যমে ছড়ানো বিভ্রান্তি সম্পর্কে সবাইকে সজাগ থাকার পরামর্শ দেন।

ক্ষমতা হস্তান্তর: অন্তর্বর্তী সরকারের লক্ষ্য স্পষ্ট করে তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতেই ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে। এ বিষয়ে কোনো প্রকার সংশয় বা বিভ্রান্তির অবকাশ নেই।

ড. ইউনূস পুনর্ব্যক্ত করেন যে, জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই পারে একটি স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নিশ্চিত করতে। তিনি বিশ্বাস করেন, দেশবাসী তাদের সুচিন্তিত রায়ের মাধ্যমে জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে সমুন্নত রাখবে।