প্রচ্ছদ আর্ন্তজাতিক উত্তেজনার মধ্যেই আলোচনায় বসছে দুই পক্ষ, সেখানেও শর্তের শেষ নেই

উত্তেজনার মধ্যেই আলোচনায় বসছে দুই পক্ষ, সেখানেও শর্তের শেষ নেই

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে আজ ওমানের রাজধানী মাস্কাটে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছে। এ বার্তা দিয়ে মধ্যস্থতাকারী তিন দেশ—তুরস্ক, মিসর ও কাতার—আলোচনার কাঠামো তৈরি করেছে। তবে আলোচনার সঠিক বিষয় এখনও স্পষ্ট নয়, কারণ যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরানের পরমাণু কর্মসূচির বাইরে থাকা বিষয়গুলোও আলোচনার টেবিলে আসে, আর ইরান শুধুমাত্র তাদের পরমাণু কার্যক্রম নিয়ে সীমাবদ্ধ থাকতে আগ্রহী। ধারণা করা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমানোই আলোচনার মূল লক্ষ্য।

প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, ইরান আগামী তিন বছর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ একেবারেই বন্ধ রাখবে। এই সময়ের পরে তারা ১.৫ শতাংশ হারে সীমিতভাবে সমৃদ্ধকরণ করতে পারবে। বর্তমানে উচ্চ সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়ামের ৬০ শতাংশ তৃতীয় কোনো দেশে স্থানান্তর করতে হবে। পাশাপাশি ইরানকে হিজবুল্লাহ বা হুতির মতো বাহিনীর কাছে অস্ত্র ও প্রযুক্তি পাঠাতে দেওয়া হবে না। ব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যবহার এবং উৎপাদন সীমিত রাখতে হবে, যদিও যুক্তরাষ্ট্র আরও কঠোর শর্ত চাচ্ছে।

এছাড়া আলোচনায় ‘অগ্রাসনবিরোধী চুক্তি’ সম্পর্কেও প্রস্তাব থাকলেও ইরান চায় আলোচনা শুধুমাত্র তাদের পরমাণু কর্মসূচি পর্যন্ত সীমাবদ্ধ হোক। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে অংশ নেবেন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার, আর ইরানের পক্ষে থাকবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। অন্য দেশের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থাকতে পারেন, তবে ইরান দ্বিপক্ষীয় আলোচনাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।