
শেরপুর-১ (সদর) আসনটি স্বাধীনতার পর দুই দফা বিএনপির (১৯৯৬ এর ১৪ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে একবার সহ) দখলে ছিল। পরবর্তীতে দুই দফা জাতীয় পার্টি এবং সর্বশেষ ছয় দফায় আওয়ামী লীগের দখলে ছিল ৩০ বছর। তবে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসনটি দখলে নিলেন জামায়াতের প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম। বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ডা.সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কার কপাল পুড়েছে। যদিও প্রিয়াঙ্কা বেশ আলোচিত প্রার্থী ছিলেন।
হাফেজ রাশেদুল ইসলাম ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন। ২০২৪ এর ৫ আগস্টে দেশের পট পরিবর্তনের পর এলাকায় এসে একটানা নির্বাচনি কাজ করেন।
এই আসনে ২০০১ ও ২০০৮ সালে বিএনপির চার দলীয় জোট হিসেবে জামায়াতকে আসনটি ছেড়ে দেয়। ওই সময় আসনটিতে তৎকালের কেন্দ্রীয় জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল প্রয়াত কামারুজ্জামান নির্বাচন করেন। কিন্তু কোনোবারই তিনি জয়ী হতে পারেননি। এর আগে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে দলীয়ভাবে নির্বাচন করে কামারুজ্জামান পরাজিত হন।
আসনটিতে ১৯৭৯ সালে প্রথম বিএনপি থেকে নির্বাচিত হয়েছিল তৎকালীন মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল হামিদ। ১৯৮৬ ও ১৯৯১ সাল পর্যন্ত জাতীয় পার্টির দখলে থাকে এই আসনটি। এরপর ১৯৯৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রায় ৩০ বছর আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে থাকে।









































