
ভোটগ্রহণ সমাপ্তির পর সন্ধ্যা থেকেই সারাদেশের বিভিন্ন আসনে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীদের আচরণ হঠাৎ বদলে যায়। একইসাথে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে অনেক আসনে জনগণের রায় বদলানোর অপচেষ্টা করা হয়।
এরই অংশ হিসেবে ঢাকা-৮, ১৩, ১৭ সহ দেশের বিভিন্ন আসনের ফলাফল আটকে রেখে জনরায় বদলানোর অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে, যার প্রমাণ স্পষ্ট। একইসাথে ঢাকা- ৪ ও ১৬ আসনের ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পরও স্থগিত করা হয়েছিল।
সকল আসনের ফলাফল এখনও ঘোষণা করা না হলেও প্রথম সারির জাতীয় গণমাধ্যম একটি নির্দিষ্ট দলকে ২০০+ আসনে বিজয়ী হয়েছে বলে প্রচার করে।
আমরা মনে করি সমগ্র রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে নির্বাচনের ফলাফলকে প্রভাবিত করা হয়েছে। স্পষ্টতই মিডিয়া, এজেন্সি ও অন্যান্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সম্মিলিতভাবে এ কাজ সম্পন্ন করেছে।
নির্বাচন কমিশনকে বলব, প্রতিটি আসনের সঠিক রেজাল্ট জাতির সামনে প্রকাশ করুন। জুলাই বিপ্লব পরবর্তী আরেকটি সাজানো নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে একটা দলের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করা জুলাইয়ের শহীদদের স্পিরিটের সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক।











































