প্রচ্ছদ খেলাধুলা বিপিএল ফাইনালের আগে তামিমের দুঃখ প্রকাশ

বিপিএল ফাইনালের আগে তামিমের দুঃখ প্রকাশ

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের এবারের আসরের দুই ফাইনালিস্ট ফরচুন বরিশাল ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস। ফাইনালের আগে আজ ঢাকার আহসান মঞ্জিলে ট্রফিসহ ফটোসেশন হয়। তবে সেই ফটোসেশনে ছিলেন না বরিশাল ও কুমিল্লা দুই দলের অধিনায়কই।

ফটোসেশনে না আসা নিয়ে ফেসবুক স্টাটাসে দুঃখ প্রকাশ করেছেন ফরচুন বরিশালের অধিনায়ক তামিম ইকবাল।

স্টাটাসে তামিম লেখেন, ‘বিপিএল ফাইনালের আগে ট্রফি উন্মোচনের আয়োজনের জন্য আজকে চমৎকার একটি জায়গা বেছে নিয়েছিল বিসিবি। তবে আমি সেখানে যেতে পারিনি, এজন্য দুঃখপ্রকাশ করছি বিসিবি, বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল ও বাংলাদেশ ক্রিকেটের সব অনুসারীর প্রতি। অধিনায়ক হিসেবে অবশ্যই আমার দায়িত্ব ছিল এরকম একটি আয়োজনে থাকা।’

তামিম জানিয়েছেন তার না আসার কারণও। গতকাল রাতে ম্যাচ শেষ করে আবার সকালে আসা তার পক্ষে সম্ভব ছিল না বলে জানান।

তামিম আরও লেখেন, ‘তবে গতকাল রাতেই আমরা কোয়ালিফায়ার ম্যাচ খেলেছি। ম্যাচ শেষে যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা সেরে হোটেলে ফিরতে আমাদের অনেক রাত হয়ে যায়। এরপর ফাইনালে ওঠার আনন্দ উদযাপনের জন্য দল থেকে বিশেষ আয়োজন ছিল। পাশাপাশি, অধিনায়ক হিসেবে আমার বাড়তি কিছু ব্যস্ততাও ছিল। সবকিছু শেষ করতেই আমার অনেকটা দেরি হয়ে যায়। সকাল সাড়ে ৮টায় হোটেল থেকে বের হওয়া তাই সম্ভব ছিল না আমার পক্ষে। জায়গাটি যেহেতু একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা, ট্রফি উন্মোচনের আয়োজনটি নির্দিষ্ট ওই সময়েই করার কিছু বাধ্যবাধকতাও ছিল।

আমি ব্যক্তিগতভাবে সবসময়ই বিপিএলকে অনেক মূল্য দিয়েছি এবং এই টুর্নামেন্টকে ওপরে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। কখনোই এই টুর্নামেন্টকে কোনোভাবে খাটো করতে চাইনি। বিপিএলের জন্য কোনো কিছু করার সুযোগ পেলে ভবিষ্যতেও এগিয়ে আসার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। তবে আজকের পরিস্থিতিতে আমার কোনো উপায় ছিল না এবং এজন্য আবারও দুঃখপ্রকাশ করছি।’

ফরচুন বরিশালের গতকাল ম্যাচ ছিল রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে। বরিশালের ফটোসেশনে এসেছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তবে কুমিল্লার কোন ম্যাচ না থাকলেও দলটির পক্ষ থেকে আসেন জাকের আলি।

লিটনের না থাকা হিসেবে ভ্রমণ ক্লান্তির কথা জানিয়েছেন কুমিল্লার কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন। তার মতে, এই পথ ভ্রমণ করে যাওয়া-আসার পর আগামীকালকের ম্যাচে সেটার প্রভাব পড়তে পারতো। ‘ফটোসেশনে লিটনের না থাকা নিয়ে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘অবিচার হয়েছে কি না আমি জানি না। কালকে আমার ফাইনাল খেলা। এখন আমার অধিনায়ককে ঘুম থেকে উঠিয়ে নিয়ে যাবেন আড়াই ঘণ্টা জার্নি করে, আবার সে আড়াই ঘণ্টা-তিন ঘণ্টা জার্নি করে এখানে আসবে। তার তো ট্রফি দেখার চেয়ে ট্রফিটা নেওয়ার জন্য প্রস্তুতিটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ঠিক না?’