
নিজের নির্বাচনী অফিস ও কর্মী-সমর্থকদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর।
ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না হলে কোনো প্রকার সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা না হলে নির্বাচনে বর্জনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়রি) বিকেল ৫টার দিকে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
নুরুল হক নুর বলেন, ‘ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না হলে কোনো প্রকার সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না। সন্ত্রাসী, ভূমিদস্যু, চর দখলকারীদের দিয়ে এই শান্তির জনপদে অশান্তি সৃষ্টি করছে এবং নির্বাচন বানচালের জন্য এই অপকর্মগুলো করা হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘এসব ঘটনা থামানো না হয় এবং এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া না হয় তাহলে আমাদের এজেন্টরা এবং ভোটাররা চরম নিরাপত্তহীনতার মধ্যে থাকবেন। আমার মত প্রার্থীই যদি এ ধরনের অবস্থার মধ্যে থাকি, তাহলে সারা বাংলাদেশে কি পরিস্থিতি হচ্ছে?’
এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে ও অভিযুক্ত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করা না হলে নির্বাচন করা সম্ভব নয় বলে হুঁশিয়ারি দেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি। আগামীকালের মধ্যে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও জানান তিনি। তা নাহলে এই সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আমাদের রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি দেন ডাকসুর সাবেক এ ভিপি।
নুর বলেন, জনগণকে ও ভোটারদের অনিরাপদ রেখে এবং তাদেরকে হুমকির মুখে রেখে কোনো প্রকার সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না।
তিনি বলেন, ‘আগামী ১২ তারিখ যে ভোট হবে, তা যেন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে হয়। ভোটাররা যেন তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে পারেন। গণতন্ত্রকে সুসংগঠিত করতে ওই এলাকা পরিদর্শন করে অনিয়মগুলো তুলে আনা জরুরি। আজকে মূলত আমি এসেছি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পুলিশ সুপারকে স্বতন্ত্র প্রার্থী কর্তৃক এলাকায় যে ঘটনাগুলো ঘটেছে তা অবহিত করতে এবং বিগত দিনে যে অভিযোগগুলো দেওয়া হয়েছিল সে বিষয়ে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে তা জানতে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সন্ত্রাসী ঘটনাগুলো যারা ঘটাচ্ছে তারা নির্বাচন বানচাল এবং মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতেই মূলত: এসব করছে। আমি ডিসি ও এসপি মহোদয়কে বিষয়টি জানিয়েছি। জনগণ নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে আছে, ভোটাররা আশঙ্কার মধ্যে আছে। যেখানে একটি বাড়ি জ্বালিয়ে ও পুড়িয়ে দেয়া, অফিস পুড়িয়ে দেয়া, এক নারীকে ধর্ষণ করে হত্যা করাসহ এ ধরণের উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটছে। অথচ এই পর্যন্ত প্রশাসন যে ব্যবস্থা নিয়েছে তা সন্তোষজনক নয়। আজকে আমি আপনাদেরকে জানিয়ে রাখতে চাই নির্বাচন কমিশনের সচিব এবং পুলিশের আইজিপিকেও এ ঘটনা জানিয়ে রেখেছি।’









































