
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সামাজিক মাধ্যমের অপব্যবহার বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। বিশেষ করে নির্বাচনের আগে রাজনীতিকদের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে জনমত বদলে দেওয়া বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে। সাইবার হামলার শিকার হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও জো বাইডেন এমনকি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও।
২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মাত্র চার মাস আগে একযোগে বড় ধরনের সাইবার হামলার শিকার হয় এক্স (তৎকালীন টুইটার)। এ সময় জো বাইডেন, বারাক ওবামা, ইলন মাস্ক, বিল গেটসসহ বহু প্রভাবশালী ব্যক্তির ভেরিফাইড অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়।
হ্যাকাররা এসব অ্যাকাউন্ট থেকে ক্রিপ্টোকারেন্সি দ্বিগুণ করে ফেরত দেওয়ার প্রলোভন দিয়ে পোস্ট দেয়। প্রায় তিন ঘণ্টা পর এক্স কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনা ছিল ভিন্নধর্মী। ডাচ সাইবার নিরাপত্তা গবেষক ভিক্টর গেভার্স দাবি করেন, তিনি কোনো জটিল প্রযুক্তি ব্যবহার না করেই ট্রাম্পের অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পেরেছিলেন। পরে ট্রাম্পের অ্যাকাউন্টে টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু করা হয়।
২০১৬ সালের মার্কিন নির্বাচনের আগে রাশিয়ার হ্যাকাররা ডেমোক্র্যাটিক ন্যাশনাল কমিটির (ডিএনসি) ই-মেইল হ্যাক করে তথ্য ফাঁস করে। একইভাবে বিভিন্ন রিপাবলিকান ব্যক্তি এবং গ্রুপের অ্যাকাউন্টও হ্যাক করা হয়।
কিউবার ‘সর্বোচ্চ পর্যায়ের’ নেতৃত্বের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে: ট্রাম্পকিউবার ‘সর্বোচ্চ পর্যায়ের’ নেতৃত্বের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে: ট্রাম্প
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টও একাধিকবার হ্যাকের শিকার হয়েছে। ২০২০ সালে তার ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট-সংযুক্ত অ্যাকাউন্ট এবং ২০২১ সালে তার মূল এক্স অ্যাকাউন্টে অনুপ্রবেশ করা হয়।
হ্যাক করা অ্যাকাউন্ট থেকে দাবি করা হয়, ভারত সরকার বিটকয়েনকে আইনি বৈধতা দিয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই অ্যাকাউন্টটি সুরক্ষিত করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় দ্রুত বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানায়।












































