Breaking News

বুকটা কেপে উঠলো, এই আমাদের সমাজ ব্যবস্থা, চোখ দিয়ে পানি পরেনি, মনে মনে অনেক কেঁদেছি

বংশালে বাইক সার্ভিসিং করাতে গিয়েছিলাম আজ। সবাই জানেন সার্ভিসিং লং টাইম প্রসেস।। এইদিক ওইদিক ঘুরে টাইম পার করছিলাম।। চোখ পরলো এই শিশুর উপ্রে, বয়স ৩/৪ এর বেশি হবে না। আমি অবাক হয়ে চেয়ে রইলাম একটার পর একটা কাজ করেই যাচ্ছে। বুকটা কেপে উঠলো, এই আমাদের সমাজ ব্যবস্থা!!! হয়তো চোখ দিয়ে পানি পরেনি, তবে মনে মনে অনেক কেঁদেছি।

চেইন কাভার টা উঠানোর শক্তি নাই এই কোমল হাতে, দুইবারের প্রচেষ্টায় উঠায়ে আবার কাজ শুরু, ডানে বামে তাকানোর হুশ জ্ঞান নাই।

বাচ্চার মুখে কালি, গায়ে কালি, তার চেয়ে বেশি কালি হচ্ছে আমাদের মনে।। Curiosity থেকেই পুরো বংশাল ঘুরে বেড়ালাম, অনেক দোকান/গ্যারেজেই চোখে পরলো শিশু শ্রমিক।

আমার মতো আমজনতার চোখে পরে, প্রশ্ন হলো প্রশাসন কি কানা- এসব চোখে পরে না?? অথচ প্রশাসন থেকে প্রতি মাসে একবার যদি তদারকি করা হয়, জেল জরিমানা করা হয়। অনেকাংশেই কমে আসবে শিশু শ্রম নামক পাপ।

এদের হাতে উঠবে বই, খাতা আর কলম।। (আজকের শিশু আগামীর ভবিষ্যৎ – যারা এসব বয়ান দেন উপরের মহলে বসে বসে, তাদের বলবো প্লিজ পথশিশু, অনাথ শিশু এদের জন্য কাজ করুন)।

মনে আমার একটা ইচ্ছা আছে, কখনো অনেক টাকার মালিক হলে একটা অনাথ আশ্রম আর একটা বদ্রাশ্রম খুলবো।। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন, আমার ইচ্ছা টা যেন পূরণ করতে পারি।। রোদ্রের মধ্যে বাচ্চাটার কষ্ট, সত্যি মনে খুব বাজে ভাবে দাগ কেটেছে।। আমি সুন্দর (সাজিয়ে-গুছিয়ে লিখতে পারি নাই, ভুল গুলো ক্ষমা করবেন, ফেসবুক থেকে সংগ্রহীত একটি পুরাতন পোস্ট

About Tahsin Rahman

Check Also

আনভীরের জামিন হলোনা- যেতে পারেননি স্ত্রী-সন্তানের সাথে দেশ ছেড়ে

বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীরের আগাম জামিন আবেদনের ওপর শুনানি করেননি হাইকোর্ট। …