Breaking News

ঢাকাদক্ষিনে একমাত্র পানি নিষ্কাসনের খালও রক্ষা পাচ্ছেনা, ভুমি কর্মকর্তারা কিসের কাছে অসহায় ?

স্টাফ রিপোর্টারঃ সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ থানার ঢাকা দক্ষিন বাজারের একমাত্র পানি নিষ্কাশনের পথ কাকিয়া ছড়া (খাল) যে খাল দিয়ে বাজার তথা কয়েকটি গ্রামের পানি নিষ্কাশন হয়ে থাকে। সেই কাকিয়া ছড়া (খাল) দিন দিন নব্যতা হারিয়ে এখন সামান্য বৃষ্টি হলে বাজারে হাঁটু / কমর পরিমাণে পানি জমে যায়।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কাকিয়া চড়া খালের উপর গড়ে উঠেছে অবৈধ দোকান, বাসা বাড়ি। আরও দেখা গেছে, ঢাকাদক্ষিন মসজিদ মার্কেটের সামনে পাঁচভাই রেস্টুরেন্টের পাশে কাকিয়া ছড়া খালের উপর সামনের দিকে টিন দিয়ে বেড়া দিয়ে নির্মাণ হচ্ছে পাকা দোকান কোঠা। বাজারের ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে বলেন, এই সমস্যা নতুন নয় একটি মহল সারা বাজারে বিভিন্ন সময়ে ইমারত নির্মাণ করে যাচ্ছে খালের উপর।

তবে আগে এমন কিছু দেখা দিলে স্থানীয় তহশিলদারকে বা উপজেলা ভুমি অফিসারকে জানালে কিছুটা হলেও কাজ হতো, বন্ধ করা হতো এইসব অবৈধ নির্মাণ৷ কিন্ত এখন বর্তমান তহশিলদার শফিক  ও উপজেলা ভুমি অফিসার অনুপমা দাশ আসার পর থেকে অভিযোগ করে কোন লাভ হয়না বরং সেই কাজ তখন থেকে আরো দ্রুত গতিতে এগিয়ে যায়। এই তহশিলদার শফিক ই সকল কর্তাকে মেনেইজ করে দেখে ও না দেখার মত করে রেখেছেন।

একজন ব্যবসায়ি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, স্থানীয় যারা এইসব দখলদারি করছেন তারা শক্তিশালি তাদের আছে টাকা পয়সা লাঠিয়াল বাহিনী ৷ কিভাবে অভিযোগ করব বা প্রতিবাদ করব ? আমরা কথা বলে বিপদে পড়তে চাইনা। আগে এরখম অবৈধ কাজ হলে আমরা স্থানীয় তহশিলদারকে জানাতাম কিন্তু এখন জানালে কাজ বন্ধ হওয়া দূরের কথা, উল্টো দখলদাররা জেনে যায় কারা অভিযোগ করেছে বা সংবাদ জানিয়েছে৷ তারা জানার পর দেখা দেয় ব্যাক্তিগত সমস্যা! তখন দখলদারদের হামলা, হুমকির সম্মুখিন হতে হয় তখন তাদের। তিনি বলেন, এখানে বিশাল পরিমাণের বড় আকারের লেনদেন হয়ে থাকে দখলদার ও তহশিলদারের মধ্যে, না হলে কে জানিয়েছে ঐ খবর দখলদাররা জানে কিভাবে? এদিকে খবর নিয়ে জানা যায়, সরকারি খালের উপর একের পর এক ঘর নির্মাণ হয়েই যাচ্ছে, কিন্তু কেউ কোন বাধা বা ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

একজন সিএনজি ট্যাক্সি চালক বলেন, আগে আমরা খালের পারে গাড়ি রাখতাম তবে এখন দোকান কোঠা বানিয়ে আমাদেরকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে৷ এখন এই দেখেন টিনের বেড়া দিয়ে ভিতরে নির্মাণ হচ্ছে পাকা ঘর এইসব কেউ দেখেনা! বর্তমান তহশিলদার আসার পর থেকে যেন খালের দখলদারি বেড়ে গেছে! তিনি আরও বলেন, এখন যদি আমার কাছে টাকা থাকত, তাহলে তহশিলদারকে এক, দুই লাখ টাকা দিয়ে যে কোন এক জায়গায় ঘর বানিয়ে নিতাম।

খুঁজ নিয়ে জানা যায় তহশিলদার শফিক সব ঠিকাদারি নিয়ে থাকেন! এইসব অবৈধ নির্মাণের জন্য তিনি উপজেলা ভুমি অফিসার সহ সবাইকে মেনেইজ করার ঠিকাদারি নিয়ে থাকেন। বাজারের সাধারন জনগণ দাবি করেন, এইসব তহশিলদার বলেন আর উপজেলা ভুমি অফিসার বলেন কাউকে দিয়ে বন্ধ করা যাবেনা এইসব দখলদারী কারন ওনারা টাকার কাছে জিম্মি। বরং যে কাজ দুই (২) মাসে হবার কথা সে কাজ হয়ে যাবে সপ্তাহে। এজন্য সরকারের উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে এগিয়ে আসতে হবে! সরকারের উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের প্রতি বাজার ও এলাকাবাসীর একমাত্র পানি নিষ্কাশনের খালটি রক্ষা করতে অনুরোধ করেন সবাই।

এলাকাবাসী ও জনপ্রতিনিধিদের এইসব দখলদারির বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ স্থানীয় তহশিলদার শফিক ও উপজেলা ভুমি অফিসার অনুপমা দাশ সহ কয়েকজনের উপর । এছাড়া কয়েকজনের লেনদেনের অডিও ভিডিও চিত্র আমাদের কাছে এসেছে যাচাই বাচাই করে  সরজমিনে সেইসব  অভিযোগের আমাদের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন সহ বিস্তারিত আসছে সাথে থাকুন। নিউজ ক্রেডিট কপি banglastarlive

About Tahsin Rahman

Check Also

এবার তৃতীয় বিয়ের দাবি মাওলানা মামুনুল হকের

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরীর সেক্রেটারি মাওলানা মামুনুল হক তৃতীয় বিয়ের দাবি …