Breaking News

ঘরের শত্রুকে বুঝতে পারিনি: মমতা

প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচনের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। এ নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাচ্ছেন ভোটারদের ঘরে ঘরে।

অসুস্থ মমতা হুইল চেয়ারে বসেই বিভিন্ন জেলায় একের পর এক সভা করছেন।শুক্রবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এগরা ও পটাশপুরে সভা করেন। অধিকারী পরিবারের গড় পূর্ব মেদিনীপুরের প্রচারে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীসহ দলত্যাগীদের কড়া কথা বলেছেন মমতা।

তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগদানকারীদের ‘বিশ্বাসঘাতক-মীরজাফর’ বলে সম্বোধন করেন মমতা। আবেগ প্রকাশ করে মমতা বলেন, ঘরের শত্রুদের বুঝতে পারিনি। অনেক অন্ধ ভালোবাসা দিয়েছি।

তার বিনিময়ে ওরা আমাকে যা দিয়েছে, তাতে বিনা যুদ্ধে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়বো না। সিপিএম-কংগ্রেস হলো বিজেপির সবথেকে বড় বন্ধু। বামদের ভোট দেয়া মানে হার্মাদদের ভোট দেয়া।

তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকার নির্বাচিত হলে সব নারীদের ৫০০ টাকা করে হাত খরচ দেবে। কন্যাশ্রীতে ২৫ হাজার টাকা জমা দেই। বছরে ১০ লাখ টাকার অ্যাকাউন্ট করে দেবো। দিঘাতে জগন্নাথের মন্দির হবে। ইকো ট্যুরিজম করে দেয়া হয়েছে।’

মমতা বলেন, ওদের অন্ধ ভালোবাসা দিয়েছিলাম। যারা গাদ্দার, মীরজাফর, তারা বেইমানি করেছে। আর বিজেপির পুরনো লোকেরা ঘরে বসে কাঁদছে। সিপিএমের পুরনো হার্মাদ আর তৃণমূলের থেকে কিছু চিটিংবাজ ওই দলে গিয়ে প্রার্থী হয়েছে। তিনি বলেন, মোদি সরকার দাঙ্গাবাজ, দুর্নীতিপরায়ণ সরকার। লুঠ, দাঙ্গা, খুন বিজেপির এই তিন গুণ। আমায় সিপিএম মেরে মাথা ছাতু করে দিয়েছিল। ব্রেন অপারেশন হয়েছিল। হাত-পেট, চোখে আঘাত করেছে।

তিনি বলেন, এমপিআর চালু করেছিল ছয় মাস আগে। এই নিয়ে আমি আন্দোলন করেছিলাম। একমাত্র আমরাই এমপিআর হতে দেইনি। ভোটের আগে ওরা গুন্ডা নিয়ে ভয় দেখাবে। সবাইকে ভোটবাক্স পাহারা দিতে হবে। মনে রাখতে হবে লুঠ-দাঙ্গা-মানুষ খুন, বিজেপির তিনটি গুণ।মমতা বলেন, ৫০০ টাকা চুরি করলে চোখে দেখা যায়। আর লাখ লাখ কোটি টাকা চুরি করলে দেখা যায় না। সেটা ভ্যানিশ হয়ে যায়। নরেন্দ্র মোদির মুখ দর্শন করতে চাই না। বহিরাগত গুন্ডা চাই না।

রেল, ব্যাঙ্ক সব বিক্রি করে দিচ্ছে। বাংলায় বিজেপি সরকার চাই না। কাউকে কিছু খাইয়ে দিয়ে ভোটবাক্স লুঠ করতে পারে। আবারো বলছি, ভোটবাক্স পাহারা দিতে হবে। মমতা জানান, নন্দীগ্রামে এবার আমি প্রার্থী। অনেকে বলেছিলেন কেন নন্দীগ্রাম থেকে লড়ছেন? আমি বলেছি, বাংলার যে প্রান্তে থাকি সেটাই আমার ঘর।

About staff reporter

Check Also

প্রবাসীরা ফের প্রমান করলেন একে অন্যের- আকরামের লাশ দেশে আনতে কয়েক হাজার ইউরোর তহবিল

প্রবাস বিদেশ বিভুঁইয়ে আবারও বাংলাদেশিরা একে অন্যের- এর প্রমাণ রাখলেন। আয়ারল্যান্ডের এক দোকানে কাজ করতেন …