Breaking News

এরা কি অপরাধী না ? অস্র নিয়ে মহড়া ও গুজব রটানোকারীদের কি আইনের আওতায় আনা হবে?

প্রিয় পাটক প্রথমেই বলে রাখি আমার সক্ষিপ্ত লিখা আপনার ভাল না লাগতেও পারে তবে সবার যে ভাল লাগবে বা লাগতে হবে তা না। গত কয়েকদিন থেকে দেশ জুড়ে উত্তাল একটি টপিক যা হচ্ছে হেফাজতের কর্মসূচি।

হেফাজতের হরতাল যে এ যুগের সেরা এক হরতাল হয়েছে তা স্বীকার করতেই হবে। ছবিতে যে সকল ফুটেজ দেখেছেন এই গুলা কার? এরা কি অপরাধী না ? নাকি এগুলা এডিট করা ? এদেরকে কি আইনের আওতায় আনা জরুরী না? এর পর চলছে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে ব্যাপক গুজব।

শ্রমিক লীগের ছবি পুরাতন ছবি অন্য দেশের ফুটেজ পাবলিশ করে হেফাজতকে ধুয়ে দিচ্ছেন একটি পক্ষ । তারা কি আইনের উরধে ? গুজব ছড়ানোর জন্য তাদের একজনকে ও কি আটক করা হয়েছে ? কেন করা হবেনা ? আবার একটি পক্ষ অতি উৎসাহী হয়ে হেফাজতের হয়ে পুরনো বা অন্য ইস্যুর ছবি পোস্ট করে বিজইয়বা অন্য কিছু বলে চালিয়ে নিচ্ছেন ,

তাদের উভয়কে কি আইনের আওতায় আনা হবেনা। নাকি যারা এদের এপিট অপিট এক হবার কারনে কিছুই করা হবেনা। এ পর্যন্ত হেফাজতের হরতাল কর্মসূচি ও তার পরে আগে যে কয়েকটা সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যা গুজব ছড়ানোর পোস্ট দেখেছি তার বেশির ভাগ ছিল আওয়ামীলীগ দলের সমর্থকদের পোস্ট ।

প্রমান চান- আমি ৫০০+ পোস্ট এর স্কিন শর্ট রেখেছি যদিও পরে বলতে পারেন এইসব এডিট করা কারন এইটা এখন বলা সহজ সুপার এডিট। একটি পক্ষের উপর দায় পড়লেই সেইটা হয়ে যায় এডিট আবার যখন অন্য পক্ষের উপর পড়ে তা হয়ে যায় ১০০% সত্য।

এইসব থেকে বাহির হয়ে আসতে হবে সত্যকে সত্য বলতে হবে মিথ্যাকে মিথ্যা বলতে হবে অপরাধী যে ই হোক তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। যে দলের ই হোক। গত হরতালের দিন দেখলাম সিলেটের এক ছাত্রলীগ নেতার প্রকাশে অ্যাকশন হাতে পিস্তল নিয়ে সেই পিস্তলের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ার সুবাধে দেখতে পায়ে

About Tahsin Rahman

Check Also

এবার তৃতীয় বিয়ের দাবি মাওলানা মামুনুল হকের

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরীর সেক্রেটারি মাওলানা মামুনুল হক তৃতীয় বিয়ের দাবি …