রাতে আটক, দিনে উধাও

নোয়াখালী হাতিয়ার ভাসানচর থেকে পালিয়ে আসা ২০ রোহিঙ্গাকে কোম্পানীগঞ্জের চরএলাহীতে আটক করা হয়। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্য আবদুল হকের সহযোগিতায় পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ ও চরএলাহী ইউপি চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাক পালিয়ে যাওয়া ২০ রোহিঙ্গা নাগরিককে খুঁজে বেড়াচ্ছেন।

পুলিশ ও বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, গতকাল রোববার (১৭ জুলাই) রাত ১২টার দিকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরার সময় চরএলাহী ইউনিয়নের গাংচিলের কিল্লাবাজার এলাকা থেকে ৫ পুরুষ, ৪ নারী ও ১১ জন শিশুসহ ২০ জন রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করেন স্থানীয়রা। এ সময় স্থানীয় ইউপি সদস্য আবদুল হক ও গ্রামপুলিশ কাশেম চৌকিদারের জিম্মায় রাখা হয় রোহিঙ্গা নাগরিকদের।

আটকের এ ঘটনা রোববার রাতেই পুলিশকে সংবাদ দেওয়ার পর সোমবার (১৮ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তার আগেই কিল্লার বাজার সংলগ্ন সেলিম মাঝির ঘরে জিম্মায় থাকা ২০ রোহিঙ্গা নাগরিক পালিয়ে যায়।

রোহিঙ্গা পালানোর ঘটনায় স্থানীয় লোকজন আবদুল হক মেম্বারের জড়িত থাকার অভিযোগ করলেও তিনি অস্বীকার করেছেন।

তিনি বলেন, কিছু কুচক্রীমহল আমার বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের ছেড়ে দিয়েছি বলে অপপ্রচার করছে। রোহিঙ্গাদের আটকের খবর পেয়ে আমি সকালে ঘটনাস্থলে যাই। পরবর্তীতে কাশেম চৌকিদারকে সেখানে রেখে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসির নির্দেশে রোহিঙ্গাদের পুনরায় ভাসানচর পাঠানোর জন্য ট্রলার ভাড়া করতে যাই। ট্রলার ভাড়া করে এসে দেখি রোহিঙ্গারা নেই। স্থানীয় লোকজনের ভিড়ের মধ্যে পুলিশ আসার আগেই তারা একজন একজন করে পালিয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি রোহিঙ্গা পালানোর ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয় বলে দাবি করেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এতজন রোহিঙ্গা একসঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি উদ্বেগজনক। রোহিঙ্গারা বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে গেলে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে পড়বে তারা। তাদের পুনরায় আটক করার দাবি স্থানীয়দের।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মো. সাদেকুর রহমান রোহিঙ্গা পালানোর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই আটককৃত রোহিঙ্গারা পালিয়ে যায়। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এবং ওই ওয়ার্ডের মেম্বারের সহযোগিতায় পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গাদের পুনরায় আটক করতে বলা হয়েছে। নোয়াখালী ভাসানচর ২০ রোহিঙ্গা আটক স্থানীয়রা ট্রলার ভাড়া

Leave a Reply

Your email address will not be published.