যে কারণে মেয়ের খেলা দেখতে পারেননি কৃষ্ণার মা

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। তাদের জয়ে উল্লাসে মেতে উঠেছে গোটা বাংলাদেশ।

টাঙ্গাইলের গোপালপুরের নিভৃত গ্রামে বসে সেই উল্লাস সবচেয়ে বেশি উপভোগ করেছেন নমিতা রাণী সরকার। তিনি জাতীয় নারী ফুটবল দলের স্ট্রাইকার কৃষ্ণা রাণী সরকারের মা নমিতা রাণী দাস।

বাংলাদেশের জয়ে জোড়া গোল করেন কৃষ্ণা। তবে দুঃখের বিষয় বিদ্যুৎ না থাকায় খেলা দেখতে পারেননি কৃষ্ণার মা। খেলা শেষ হয়ে যাওয়ার পর প্রতিবেশীদের মুখ থেকে শুনেছেন মেয়েদের হিমালয় জয়ের কথা।

সোমবার রাতে তিনি যুগান্তরকে বলেন, সারাদিন উদ্বিগ্ন ছিলাম। বিদ্যুৎ না থাকায় খেলা দেখতে পারি নাই। তবে পরে জানতে পারি আমার মেয়েরা জিতেছে। আমি দেশবাসীর কাছে তাদের জন্য দোয়া চাই।

নমিতা রাণী সরকার আরও বলেন, আমার মেয়ের ফুটবল খেলা নিয়ে যারা একসময় কটাক্ষ করত, তারাই এখন এসেছে অভিনন্দন জানাতে। এ অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো না।

কৃষ্ণা রাণী সরকারের জোড়া গোলে স্বাগতিক নেপালের বিপক্ষে ৩-১ গোলের জয়ে সাফে চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। হিমালয় কন্যাদের হারিয়ে প্রথমবারের মতো ফাইনাল জিতে ইতিহাস গড়েন সাবিনা-শামসুন্নাহাররা।

কৃষ্ণা রাণী সরকার টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার দক্ষিণ পাথালিয়া গ্রামের বাসুদেব চন্দ্র দাসের মেয়ে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.