৩০০ সাবেক এমপিকে এলাকায় পাঠিয়েছে বিএনপি, উপজেলা থেকেই চূড়ান্ত আন্দোলন শুরু (ভিডিও)

১১ আগস্ট নয়াপল্টনে বৃহৎ সমাবেশ ছিলো আন্দোলনের পূর্বে নেতাকর্মীদের মনোভাব সম্পর্কে বিএনপির ধারণা নেয়া।

সমাবেশে বিশাল কর্মীবাহিনীর সতস্ফূর্ত অংশগ্রহণ চূড়ান্ত আন্দোলনে যেতে বিএনপির হাইকমান্ডকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে।

বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা জানান, একটি নির্দেশের অপেক্ষায় তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।

সিলেটের বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ও যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, আওয়ামী লীগ যেহেতু রাজনৈতিকভাবে বিএনপির থেকে জেষ্ঠ্য,

তাই রাজনৈতিক অপকৌশলেও তারা আমাদের জেষ্ঠ্য। এই কারণেই আটঘাট বেধে নামার যে কথা আছে বাঙলায়।

এবার আমরা আটঘাট বেধেই নামছি। কোথাও কোনো ধরণের সরকারের চক্র বাধার সৃষ্টি করতে না পারে।

ময়মনসিংহ বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত ও যুগ্ম মহাসচিব মুজিবুর রহমান সারোয়ার বলেন, ময়মনসিংহে অবাক হয়ে গেছি।

সাবেক এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান সবার মধ্যে একটি উদ্যম দেখছি। তারা মাঠে নামার অপেক্ষায় রয়েছে।

জ্বালানি তেলসহ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ২২ আগস্ট সোমবার থেকে সব মহানগর, জেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ধারাবাহিকভাবে আরেকদফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি।

এতে সংশ্লিষ্ট সংসদীয় আসনের সাবেক এমপি এবং গত নির্বাচনে যারা মনোনয়ন পেয়েছেন তাদের মাঠে থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন দলের হাইকমান্ড। ইতিমধ্যে অনেকেই রাজধানী ছেড়ে স্ব স্ব এলাকায় অবস্থান করছেন।

বরগুনা-২ আসনের সাবেক এমপি নুরুল ইসলাম মনি বলেন, আন্দোলনের অংশ হিসেবে সাবেক এমপিদের এবার সম্পৃক্ত করা হয়েছে। এটি একটি ভালো উদ্যোগ। এমপিরা সম্পৃক্ত হলে আন্দোলন বেগবান হবে।

বিএনপির সিনিয়র নেতারা বলছেন, সরকারবিরোধী আন্দোলনে সারাদেশে দলের মাঠপর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সম্পৃক্ততা বাড়ানোই তাঁদের লক্ষ্য। এই কর্মসূচিই চূড়ান্ত আন্দোলনের প্রাক-প্রস্তুতি বলেও জানান তারা।

সিলেটের বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ও যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, আগেভাগে মাঠ পর্যায়ে গিয়ে সেই জায়গাগুলো চাঙা করে দিয়ে আসছি। যাতে এই ফ্লো থাকে। এজন্য মাঠ পর্যায়ে সিনিয়র নেতারা যাচ্ছেন। সেই ফ্লো কাজে লাগাবো বৃহত্তর আন্দোলনে। যার একটি প্রাক প্রস্তুতি।

ময়মনসিংহ বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত ও যুগ্ম মহাসচিব মুজিবুর রহমান সারোয়ার বলেন, সাবেক সংসদ সদস্যরা এলাকায় সম্পৃক্ত হলে নেতাকর্মীদের মধ্যে যারা নিস্ক্রীয় তারা সক্রিয় হবে।

এই কর্মসূচির মাধ্যমে ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মানসিকভাবে আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত করা এবং সাধারণ মানুষকে জ্বালানি তেলসহ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং সরকারের দুর্নীতি অনিয়ম সম্পর্কে জাগিয়ে তোলাই বিএনপির মূল লক্ষ্য।
ভিডিও বার্তা

Leave a Reply

Your email address will not be published.