বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের সহায়তা চান পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধুর পলাতক খু’নিদের ফিরিয়ে আনতে ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের সহায়তা চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

শনিবার বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে শোক দিবসের এক আলোচনায় তিনি এ আহ্বান জানান। এসময় আইনমন্ত্রী বলেন, জঘন্য ওই হ’ত্যাকাণ্ডে মদদদাতাদের খুঁজে বের করা এখন সময়ের দাবি।

জাতীয় শোক দিবস স্মরণে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করে আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপ-কমিটি। এতে অংশ নেন সরকারের তিন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী।

এ সময় তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ড ছিল এদেশের অন্যতম বড় মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের ফিরিয়ে আনতে অন্যান্য দেশকেও সাহায্য করতে হবে।

আইনমন্ত্রী জানান, ইনডেমনিটি অধ্যাদেশটি ছিলো খু’নিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার পথে বড় বাধা। বঙ্গবন্ধু হ’ত্যার বিচারের মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে বাংলাদেশ অন্যায় সহ্য করে না।

মন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমি আমেরিকার প্রতি কৃতজ্ঞ। কারন তারাই প্রথম বঙ্গবন্ধুর খু’নীকে ফেরত পাঠিয়েছিলো। এই নিষ্ঠুর ঘটনার পেছনে কারা ছিলো তাদের খুজে বের করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। নতুন প্রজন্ম যেন জানতে পারে সেই রাতে কি হয়েছিলো।’

বৈশ্বিকভাবে আইনের শাসন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে সকল রাষ্ট্রকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বলেন, বঙ্গবন্ধুর মৃত্যূর পর খুনিরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিলো।

এ সময় বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফিরিয়ে আনতে বিশ্বের সকল রাষ্ট্রকে আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘চলুন একসাথে শাস্তির বিশ্ব গড়ে তুলি।

বঙ্গবন্ধুর পলাতক খু’নীদের ফিরিয়ে আনতে কূটনীতিকদেরও সহায়তা প্রয়োজন। পলাতক খুনী ও মদদদাতাদের বিচার না হলে নতুন প্রজন্ম বিভ্রান্ত হবে।’

বঙ্গবন্ধুর পরিবারকে হত্যার ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করেন প্রত্যক্ষদর্শীসহ সংশ্লিষ্টরা। আলোচনায় বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে অদম্য গতিতে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তবে দেশকে পেছনে নিতে একটি মহল সবসময়ই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.