থানায় সাত ঘণ্টা থাকার পর ছাড়া পেয়ে বিএনপি থেকে পদত্যাগ

মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান আসাদ। তবে পদত্যাগের সঙ্গে জেলা

বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশের করা মামলার কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে তিনি জানিয়েছেন। সদর থানায় সাত ঘণ্টা থাকার পর ছাড়া পেয়েছেন বলেও জানান তিনি।

সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জেলা বিএনপির কার্যনির্বাহী সদস্য পদ থেকে পদত্যাগের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন আসাদুজ্জামান আসাদ।

তিনি জেলা বিএনপির ১০ নম্বর কার্যনির্বাহী সদস্য ছিলেন। তিনি পেশায় মানিকগঞ্জ জজ কোর্টের আইনজীবী। পদত্যাগের বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসও দিয়েছেন আসাদ।

বিএনপির আড়াই হাজার নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে পুলিশের করা মামলায় রোববার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আসাদুজ্জামান আসাদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাতে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানান সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রউফ সরকার।

আসাদ জানান, এ সময় পুলিশ তাকে বিএনপির রাজনৈতিক নানান বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেন। তবে তার সঙ্গে পুলিশ কোনও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেননি। পদত্যাগের সঙ্গে জেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশের করা মামলার কোনও সম্পৃক্ততা নেই বলেও জানান তিনি।

পদত্যাগ করা বিএনপির এই নেতা জানান, তার সাথে দলের এক সিনিয়র এক আইনজীবী নেতার সঙ্গে পারিবারিকভাবে অমিল ও টানাপোড়নের কথা দলীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ নেতৃস্থানীয় অনেক নেতারা জানতেন। দলীয়ভাবে বিষয়টি ফয়সালা না হওয়ায় তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে দল না করার সিদ্ধান্ত নেন। তার স্ত্রী রোমেজা আক্তার খান মাহিন জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী যুব মহিলা লীগের মানিকগঞ্জ শাখার আহ্বায়ক।

তিনি নিজের ও স্ত্রীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকেও বিএনপি থেকে পদত্যাগ করার বিষয়টি জানান দেন। তবে কী কারণে তাকে থানায় ডেকে নেওয়া হলো এই বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.