ই’স’রাইল-ফি’লি’স্তিন: র’ক্তক্ষয়ী সং’ঘাতে কার কত ক্ষয়ক্ষ’তি?

১১ দিনের যু’দ্ধে প্রায় আড়াইশ’ প্রা’ণক্ষয়ের পর মিসরের মধ্যস্থতায় সংঘাত অবসানে রাজি হয়েছে ই’স’রাইল ও ফি’লি’স্তিন।উভ’য় পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার যু’দ্ধবিরতির ঘোষণা এসেছে।

শুক্রবার থেকে এটি কার্যকর হয়েছে। খবর বিবিসি ও রয়টার্সের। ই’সরাইল ও হামাসের মধ্যে এবারের স’হিং’সতায় ২৪৪ জনের বেশি মানুষ নি’হত হয়েছেন।

গাজা ও পশ্চিমতীরে ই’স’রাইলি হা’ম’লায় অন্তত ২৩২ ফি’লি’স্তিনি নি’হ’ত হয়েছেন।ই’স’রাইলের দাবি, গাজায় তাদের হা’ম’লায় কমপক্ষে ১৫০ জন ‘স’ন্ত্রা’সী’ নি’হ’ত হয়েছে। অবশ্য ই’স’রাইলি হা’ম’লায় সংগঠনের সদস্যদের প্রা’ণহানির বিষয়ে হামাস কোনো তথ্য দেয়নি। ই’স’রাইলের ভাষ্য,

সং’ঘাতে গাজা থেকে প্রায় চার হাজার রকেট ছোড়া হয়েছে। রকে’টে দুই শি’শুসহ অন্তত ১২ ই’স’রাইলি নি’হ’ত হয়েছে। আর আ’হত হয়েছে অন্তত ৩৩০ জন।সংঘাতে ই’স’রায়েল ও হামাস উভ’য় পক্ষ ননিজেদের জয় দাবি করেছে। যু’দ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর পরই গাজার রাস্তায় নেমে আসেন ফি’লি’স্তিনিরা। তারা স্বস্তি ও উল্লাস প্রকাশ করেন।

ই’স’রাইল-ফি’লি’স্তিনের মধ্যে এবারের সংঘা’ত’কে বলা হচ্ছে ২০১৪ সালের পর সবচেয়ে ভ’য়াবহ সংঘাত। ২০১৪ সালের ওই সংঘাতে দুই হাজার ২৫১ ফি’লি’স্তিনি নি’হত হন। ই’স’রাইলের পক্ষে প্রা’ণহানি ছিল ৭৪, যাদের অধিকাংশই সে’নাসদস্য।সম্প্রতি ই’স’রায়েল ফি’লি’স্তিনের জেরুজালেমে আল জাররাহ এলাকা দখলে নেওয়ার প্রচেষ্টা চালায়। এ নিয়ে সেখানকার ফি’লি’স্তিনি বাসিন্দাদের মধ্যে থেমে থেমে উ’ত্তেজনা চলে আসছিল। গত ৭ মে জুমাতুল বিদা আদায় করতে বিপুল মু’সল্লি আল-আকসা ম’স’জিদে সমবেত হলে ই’স’রাইলি বাহিনী তাদের ওপর চড়াও হয়। ম’সজিদে ঢুকে মু’সল্লিদের লক্ষ্য করে রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল নি’ক্ষেপ করে ই’স’রায়েলি বাহিনী।